তৃণমূল কর্মীদের আস্থার ঠিকানা আশুলিয়া থানা যুবলীগের আহবায়ক কবির হোসেন সরকার

মোঃ বাবুল খান, ঢাকা-আশুলিয়াঃ একজন দায়িত্বশীল ও তৃণমূল কর্মীদের আস্থার ঠিকানা আশুলিয়া থানা যুবলীগের আহবায়ক মোঃ কবির হোসেন সরকার।কথায় নয়, কাজেই তার প্রমাণ।যেখানে দলীয় মিছিল, মিটিং সেখানেই যেন কবির হোসেন সরকার।দলের প্রতি অকৃত্রিম ভালবাসা,দায়িত্বজ্ঞান, ক্ষমতার অপব্যবহার না করা এবং প্রতিকুল অবস্থায় উপস্থিত বুদ্ধির সঠিক প্রয়োগ সহ তার উপর দলের নেতাদের দেওয়া দায়িত্ব তিনি যথাযথ ভাবে পালন করতে পারেন।যে কারনে আজ তিনি অন্য দশজন যুবলীগ নেতা থেকে একটু ভিন্ন।

দলের নেতৃত্ব দেওয়ার কাজে বাধা-বিপত্তি,আদেশ- নিষেধ থাকবেই।থাকবে রাজনৈতিক কর্মীদের আবদার আর তদবির। সব কিছুর উর্দ্ধে উঠে যিনি অক্লান্ত পরিশ্রম করে ধৈর্য্যের পরিচয় দিয়ে নিরলস ভাবে দলের এবং তৃণমূল কর্মীদের নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।তিনি আর কেউ নন,আশুলিয়া থানা যুবলীগের আহবায়ক মোঃ কবির হোসেন সরকার। সততা,ন্যায়,নিষ্ঠা ও কর্তব্য বোধের সমন্বয় ঘটিয়ে যিনি সকল অসম্ভবকে সম্ভব করে তুলতে পারেন তিনি হচ্ছেন মোঃ কবির হোসেন সরকার।দলের দায়িত্ব আর মানব সেবাই তার একমাত্র ব্রত।দলের দায়িত্ব পালনে তিনি ঈর্ষণীয় সাফল্যের অধিকারী।প্রবল দায়িত্ব, সততা,যোগ্যতা,মেধা- মনন,বুদ্ধিমত্তা,সঠিক ও সুষ্ঠ নেতৃত্বদান-ই-তার সাফল্যের মূলমন্ত্র।মানবিকতা,মানবিক মূল্যবোধ,দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে কঠোর অভিচল থাকলে কর্ম জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে এ অভূতপূর্ব সাফল্য যে পাওয়া যায় তারই উৎকৃষ্ঠ প্রমান রেখে চলেছেন আশুলিয়া থানা যুবলীগের আহবায়ক মোঃ কবির হোসেন সরকার।

তিনি একজন দক্ষ,দায়িত্বশীল,ন্যায় পরায়ন ও দুঃসাহসীকতার পরিচয় দিয়ে দলের কাজ করে চলেছেন।শুধু তাই নয়
কবির হোসেন সরকার একজন নির্ভীক ও দুঃসাহসীক সৈনিক।তিনি তার ধৈর্য্য-মেধা,বুদ্ধি দিয়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।এক কথাই মোঃ কবির হোসেন সরকার আপোষহীন অন্যায় ও ষড়যন্ত্রকারীর দূষমন।তিনি জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাইনুল ইসলাম খান নিখিল সাহেব এর নির্দেশনায় আশুলিয়া থানা যুবলীগকে আরও শক্তিশালী দারপ্রান্তে পৌঁছায়ে নিয়ে যেতে চান।তিনি আশুলিয়া
থানা যুবলীগের আহবায়ক নির্বাচিত হওয়ার পর আশুলিয়া থানা যুবলীগ আগের চেয়ে দ্বিগুন শক্তিশালী হয়ে উঠেছে।

তিনি তরুণ ও উদীয়মান একজন যুবলীগ নেতা।তিনি তারুণ্যের প্রতীক।তার পরিচয়টা সু-দুর প্রসারী।তার পরের অর্থের প্রতি কোন লোভ-লালসা নেই।তার জীবনটা একটা কাল্পনিক গল্পের মতো।তিনি স্কুল-কলেজ, মসজিদ-মাদ্রাসায় উন্নয়নের জন্য সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেন।তিনি এলাকার দুঃস্থ,দরিদ্র, অসহায় মানুষকে ভালবাসেন এবং সেবা করেন।

তিনি আওয়ামীলীগের অঙ্গ-সংগঠনের আশুলিয়া থানা যুবলীগের আহবায়ক হিসেবে অত্যান্ত নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।তিনি দলের সব মিটিং,মিছিলে কর্মীদের নিয়ে শো-ডাউন করে সেখানে উপস্থিত হন।যেখানে দলীয় মিছিল, মিটিং ও প্রোগ্রাম সেখানেই যেন কবির হোসেন সরকার । তাই তার জীবনের ছোট গল্পটার ইতি টানতে গেলে শেষ করা যাবে না।সামান্য জনবল ও সীমিত উপকরন সামগ্রী নিয়ে এ বিশাল এলাকার যুবলীগের নেতৃত্ব দিয়ে তিনি অনেকটাই সফল হয়েছেন।

কারন আশুলিয়া থানায় এখন শ্রমিক ও বিএনপি, জামাতের আন্দোলন আগের মত নেই।শিল্প ইন্ড্রাষ্ট্রিজ হওয়ার কারনে এখানে নানান মতের ও বিভিন্ন পেশার মানুষ বসবাস করে।যারা অধিকাংশই অস্থায়ী ভাড়াটিয়া ও বিভিন্ন এলাকার লোক।তাদের অপরাধ প্রবণতা দুর করতে অনেক সময় হিমসিম খেতে হয়।

আশুলিয়া থানা যুবলীগের আহবায়ক হওয়ায় মোঃ কবির হোসেন সরকারকে যে কারনে ব্যস্ত সময় পার করতে হয়।সকাল ৮টা থেকে শুরু করে রাত ১২টা পর্যন্ত অবসর নেই তার।তাই হাজারও ঝামেলার মধ্যে থেকে সামাজিক দায়বদ্ধতা ও পারিবারিক বন্ধন ঠিক রাখতে মোঃ কবির হোসেন সরকারকে সমান ভাবে কাজ করার চেষ্টা করেন।শত বাধা-বিপত্তি আর সব কিছুর উথান-পতনকে পিছনে ফেলে নিজের উপর অর্পিত দায়িত্ব ও কর্তব্য তিনি নিষ্ঠার সাথে পালন করে আসছেন। তার সময়নুবর্তিতা ও দায়িত্ববোধের কারনে দলীয় নেতা-কর্মীরা তার উপরে কোন কারনে নাখোশ হওয়ার সুযোগ পাননি বলে যানা গেছে।কবির হোসেন সরকার তার আপন গতিতে দলের ও জনগনের সেবা করে চলেছেন ।

সামাজিক ও পারিবারিক ব্যক্তি জীবনে অত্যন্ত সুখী এবং স্বল্পভাষী এই মানুষটির মুখোমুখি হলে তিনি বলেন সমাজ,দেশ ও দেশের মানুষের সেবা করার উত্তম সুযোগ পাওয়া যায় রাজনীতি করে।কারন যারা রাজনীতি করে তারাই জনগনের সঙ্গে সকল কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত থাকে।তাই সাধারন মানুষের দুঃখ-দুর্দশায় সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া যায়।দলমতের উর্দ্ধে উঠে মোঃ কবির হোসেন সরকার তার অর্পিত দায়িত্ব পালন করে যথেষ্ট সফলতার পরিচয় দিয়েছেন।সে কারনে আজ তিনি দলীয় সকল নেতা-কর্মীদের নিকট যেন একজন দায়িত্বশীল নেতা ও তৃণমূল কর্মীদের কাছে আস্থার ঠিকানা হিসেবে যেন এক মাইল ফলকে পরিনত হয়েছেন।